আমাদের প্রিয় রাসূল (সাঃ) গায়েব জানেন কি-না?
এ নিয়ে মুসলিমদের মধ্যে দুটি দল রয়েছে যারা এ বিষয়টিকে একটি বিতর্কিত পর্যায়ে নিয়ে গেছেন। একটি দলের দাবী রাসূল (সাঃ) গায়েব জানেন এবং অন্য দলের দাবী রাসূল (সাঃ) গায়েব জানেন না। আসল বিষয় হলো রাসূল (সাঃ) গায়েব জানুক আর নাই জানুক তাঁর প্রতি আমাদের সম্মান, ভালবাসা আর শ্রদ্ধা সামান্যটুকুও কমবে না। যেহেতু এ বিষয়টি আক্বিদাগত এবং ভুল ধারনা থাকলে শিরকের সম্ভাবনা অবশ্যম্ভাবী। তাই এ বিষয়ে আলোচনার ও সঠিক জানার প্রয়োজন আছে বৈকি।
আর "ইলমে গায়েব" রাসূল সাঃ জানেন কি-না?
বা তিনি আলিমুল গায়েব কি-না?
বা আলিমুল গায়েব কে?
এতদবিষয়ে বিস্তর বিতর্ক এই পৃথিবীতে বিদ্যমান। তাই যখন কোন বিষয়ে বিতর্ক হবে তখন কোরআন ও সুন্নার দিকে ফিরে যাওয়াটাই ঈমানদার ব্যক্তিদের কাজ।
আল্লাহ বলেন- ٌﻝْﻮَﻘَﻟ ُﻪَّﻧِﺇ ٌﻞْﺼَﻓ : ٨٦﴿ ١٣﴾ “নিশ্চয় কোরআন সত্য- মিথ্যার ফয়সালা”
( At-Taariq: 13 )। তাই বিষয়টি নিয়ে কোরআনে কী নির্দেশনা রয়েছে তা আপনাদের সামনে তুলে ধরার চেষ্ঠা করছি। 'ফা লিল্লাহিল হামদ'।
আমরা একটু দেখার ও বুঝার চেষ্টা করি।
★গায়েব সম্পর্কে পবিত্র ক্বোরআন যা বলেঃ →(1) আর আমি তোমাদেরকে বলি না যে, আমার কাছে আল্লাহর ভান্ডার রয়েছে এবং একথাও বলি না যে, আমি গায়বী খবরও জানি; একথাও বলি না যে, আমি একজন ফেরেশতা; আর তোমাদের দৃষ্টিতে যারা লাঞ্ছিত আল্লাহ তাদের কোন কল্যাণ দান করবেন না। তাদের মনের কথা আল্লাহ ভাল করেই জানেন। সুতরাং এমন কথা বললে আমি অন্যায় কারী হব। ( Hud: 31) ﺎَﻟَﻭ ُﻝﻮُﻗَﺃ
এ নিয়ে মুসলিমদের মধ্যে দুটি দল রয়েছে যারা এ বিষয়টিকে একটি বিতর্কিত পর্যায়ে নিয়ে গেছেন। একটি দলের দাবী রাসূল (সাঃ) গায়েব জানেন এবং অন্য দলের দাবী রাসূল (সাঃ) গায়েব জানেন না। আসল বিষয় হলো রাসূল (সাঃ) গায়েব জানুক আর নাই জানুক তাঁর প্রতি আমাদের সম্মান, ভালবাসা আর শ্রদ্ধা সামান্যটুকুও কমবে না। যেহেতু এ বিষয়টি আক্বিদাগত এবং ভুল ধারনা থাকলে শিরকের সম্ভাবনা অবশ্যম্ভাবী। তাই এ বিষয়ে আলোচনার ও সঠিক জানার প্রয়োজন আছে বৈকি।
আর "ইলমে গায়েব" রাসূল সাঃ জানেন কি-না?
বা তিনি আলিমুল গায়েব কি-না?
বা আলিমুল গায়েব কে?
এতদবিষয়ে বিস্তর বিতর্ক এই পৃথিবীতে বিদ্যমান। তাই যখন কোন বিষয়ে বিতর্ক হবে তখন কোরআন ও সুন্নার দিকে ফিরে যাওয়াটাই ঈমানদার ব্যক্তিদের কাজ।
আল্লাহ বলেন- ٌﻝْﻮَﻘَﻟ ُﻪَّﻧِﺇ ٌﻞْﺼَﻓ : ٨٦﴿ ١٣﴾ “নিশ্চয় কোরআন সত্য- মিথ্যার ফয়সালা”
( At-Taariq: 13 )। তাই বিষয়টি নিয়ে কোরআনে কী নির্দেশনা রয়েছে তা আপনাদের সামনে তুলে ধরার চেষ্ঠা করছি। 'ফা লিল্লাহিল হামদ'।
আমরা একটু দেখার ও বুঝার চেষ্টা করি।
★গায়েব সম্পর্কে পবিত্র ক্বোরআন যা বলেঃ →(1) আর আমি তোমাদেরকে বলি না যে, আমার কাছে আল্লাহর ভান্ডার রয়েছে এবং একথাও বলি না যে, আমি গায়বী খবরও জানি; একথাও বলি না যে, আমি একজন ফেরেশতা; আর তোমাদের দৃষ্টিতে যারা লাঞ্ছিত আল্লাহ তাদের কোন কল্যাণ দান করবেন না। তাদের মনের কথা আল্লাহ ভাল করেই জানেন। সুতরাং এমন কথা বললে আমি অন্যায় কারী হব। ( Hud: 31) ﺎَﻟَﻭ ُﻝﻮُﻗَﺃ
ﻱِﺪﻨِﻋ ْﻢُﻜَﻟ ُﻦِﺋﺍَﺰَﺧ ﺎَﻟَﻭ ِﻪَّﻠﻟﺍ ُﻢَﻠْﻋَﺃ َﺐْﻴَﻐْﻟﺍ ﺎَﻟَﻭ ُﻝﻮُﻗَﺃ ﻲِّﻧِﺇ ﺎَﻟَﻭ ٌﻚَﻠَﻣ َﻦﻳِﺬَّﻠِﻟ ُﻝﻮُﻗَﺃ ﻱِﺭَﺩْﺰَﺗ ُﻢُﻬَﻴِﺗْﺆُﻳ ﻦَﻟ ْﻢُﻜُﻨُﻴْﻋَﺃ ُﻪَّﻠﻟﺍ ۖ ﺍًﺮْﻴَﺧ ُﻪَّﻠﻟﺍ ﺎَﻤِﺑ ُﻢَﻠْﻋَﺃ ﻲِﻓ ۖ ْﻢِﻬِﺴُﻔﻧَﺃ ﺍًﺫِﺇ ﻲِّﻧِﺇ َﻦِﻤَّﻟ َﻦﻴِﻤِﻟﺎَّﻈﻟﺍ ١١﴿ ﴾٣١ : → ( 2 ) বস্তুতঃ তারা বলে, তাঁর কাছে তাঁর পরওয়ার দেগারের পক্ষ থেকে কোন নির্দেশ এল না কেন? বলে দাও গায়েবের কথা আল্লাহই জানেন । আমি ও তোমাদের সাথে অপেক্ষায় রইলাম । ( Yunus: 20)
َﻥﻮُﻟﻮُﻘَﻳَﻭ ﺎَﻟْﻮَﻟ َﻝِﺰﻧُﺃ ٌﺔَﻳﺁ ِﻪْﻴَﻠَﻋ ﻦِّﻣ ْﻞُﻘَﻓ ۖ ِﻪِّﺑَّﺭ ﺎَﻤَّﻧِﺇ ِﻪَّﻠِﻟ ُﺐْﻴَﻐْﻟﺍ ﺍﻭُﺮِﻈَﺘﻧﺎَﻓ ﻲِّﻧِﺇ ﻢُﻜَﻌَﻣ َﻦﻳِﺮِﻈَﺘﻨُﻤْﻟﺍ َﻦِّﻣ ﴿ ١٠ ٢٠ : ﴾ → ( 3 ) আপনি বলে দিন, আমি আমার নিজের কল্যাণ সাধনের এবং অকল্যাণ সাধনের মালিক নই, কিন্তু যা আল্লাহ চান। আর আমি যদি গায়বের কথা জেনে নিতে পারতাম, তাহলে বহু মঙ্গল অর্জন করে নিতে পারতাম, ফলে আমার কোন অমঙ্গল কখনও হতে পারত না। আমি তো শুধুমাত্র একজন ভীতি প্রদর্শক ও সুসংবাদদাতা ঈমানদারদের জন্য।
( Al-A'raaf: 188)
( Al-A'raaf: 188)
ﻞُﻗ ﺎَّﻟ ﻲِﺴْﻔَﻨِﻟ ُﻚِﻠْﻣَﺃ ﺎًﻌْﻔَﻧ ﺎَﻟَﻭ ﺍًّﺮَﺿ ﺎَّﻟِﺇ ﺎَﻣ َﺀﺎَﺷ ۚ ُﻪَّﻠﻟﺍ ْﻮَﻟَﻭ ُﺖﻨُﻛ ُﻢَﻠْﻋَﺃ َﺐْﻴَﻐْﻟﺍ ُﺕْﺮَﺜْﻜَﺘْﺳﺎَﻟ َﻦِﻣ ِﺮْﻴَﺨْﻟﺍ
ﺎَﻣَﻭ َﻲِﻨَّﺴَﻣ ۚ ُﺀﻮُّﺴﻟﺍ ْﻥِﺇ ﺎَﻧَﺃ ﺎَّﻟِﺇ ٌﺮﻳِﺬَﻧ ٍﻡْﻮَﻘِّﻟ ٌﺮﻴِﺸَﺑَﻭ َﻥﻮُﻨِﻣْﺆُﻳ : ٧﴿ ﴾١٨٨ → ( 4 )
বলুন, আল্লাহ ব্যতীত নভোমন্ডল ও ভূমন্ডলে কেউ গায়বের খবর জানে না এবং তারা জানে না যে, তারা কখন পুনরুজ্জীবিত হবে। ( An-Naml: 65)
ﺎَﻣَﻭ َﻲِﻨَّﺴَﻣ ۚ ُﺀﻮُّﺴﻟﺍ ْﻥِﺇ ﺎَﻧَﺃ ﺎَّﻟِﺇ ٌﺮﻳِﺬَﻧ ٍﻡْﻮَﻘِّﻟ ٌﺮﻴِﺸَﺑَﻭ َﻥﻮُﻨِﻣْﺆُﻳ : ٧﴿ ﴾١٨٨ → ( 4 )
বলুন, আল্লাহ ব্যতীত নভোমন্ডল ও ভূমন্ডলে কেউ গায়বের খবর জানে না এবং তারা জানে না যে, তারা কখন পুনরুজ্জীবিত হবে। ( An-Naml: 65)
ﻞُﻗ ُﻢَﻠْﻌَﻳ ﺎَّﻟ ﻦَﻣ ﻲِﻓ ِﺕﺍَﻭﺎَﻤَّﺴﻟﺍ ِﺽْﺭَﺄْﻟﺍَﻭ َﺐْﻴَﻐْﻟﺍ ﺎَّﻟِﺇ ۚ ُﻪَّﻠﻟﺍ َﻥﻭُﺮُﻌْﺸَﻳ ﺎَﻣَﻭ َﻥﺎَّﻳَﺃ َﻥﻮُﺜَﻌْﺒُﻳ ٢٧﴿ ﴾٦٥ : → ( 5 )
এটি গায়বের খবর, আমি আপনার প্রতি ওহী প্রেরন করছি। ইতিপূর্বে এটা আপনার এবং আপনার জাতির জানা ছিল না। আপনি ধৈর্য্যধারণ করুন। যারা ভয় করে চলে, তাদের পরিণাম ভাল, সন্দেহ নেই। (Hud: 49)
এটি গায়বের খবর, আমি আপনার প্রতি ওহী প্রেরন করছি। ইতিপূর্বে এটা আপনার এবং আপনার জাতির জানা ছিল না। আপনি ধৈর্য্যধারণ করুন। যারা ভয় করে চলে, তাদের পরিণাম ভাল, সন্দেহ নেই। (Hud: 49)
ْﻦِﻣ َﻚْﻠِﺗ ِﺀﺎَﺒﻧَﺃ ِﺐْﻴَﻐْﻟﺍ ﺎَﻬﻴِﺣﻮُﻧ َﻚْﻴَﻟِﺇ ۖ ﺎَﻣ َﺖﻨُﻛ ﺎَﻬُﻤَﻠْﻌَﺗ َﺖﻧَﺃ ﺎَﻟَﻭ
ﻦِﻣ َﻚُﻣْﻮَﻗ ِﻞْﺒَﻗ ﺍَﺬَٰﻫ ْﺮِﺒْﺻﺎَﻓ ۖ ۖ َّﻥِﺇ َﻦﻴِﻘَّﺘُﻤْﻠِﻟ َﺔَﺒِﻗﺎَﻌْﻟﺍ ١١﴿ ﴾٤٩ : → ( 6 )
না তাদের কাছে গায়বের খবর আছে? অতঃপর তারা তা লিপিবদ্ধ করে। ( Al-Qalam: 47)
ﻦِﻣ َﻚُﻣْﻮَﻗ ِﻞْﺒَﻗ ﺍَﺬَٰﻫ ْﺮِﺒْﺻﺎَﻓ ۖ ۖ َّﻥِﺇ َﻦﻴِﻘَّﺘُﻤْﻠِﻟ َﺔَﺒِﻗﺎَﻌْﻟﺍ ١١﴿ ﴾٤٩ : → ( 6 )
না তাদের কাছে গায়বের খবর আছে? অতঃপর তারা তা লিপিবদ্ধ করে। ( Al-Qalam: 47)
ُﻢُﻫَﺪﻨِﻋ ْﻡَﺃ ْﻢُﻬَﻓ ُﺐْﻴَﻐْﻟﺍ َﻥﻮُﺒُﺘْﻜَﻳ ٦٨﴿ ﴾٤٧ : →
( 7 ) বলুন, আমার পালনকর্তা সত্য দ্বীন অবতরণ করেছেন। তিনি আলেমুল গায়ব। ( Saba: 48)
( 7 ) বলুন, আমার পালনকর্তা সত্য দ্বীন অবতরণ করেছেন। তিনি আলেমুল গায়ব। ( Saba: 48)
ْﻞُﻗ َّﻥِﺇ ﻲِّﺑَﺭ ُﻑِﺬْﻘَﻳ ِّﻖَﺤْﻟﺎِﺑ ُﻡﺎَّﻠَﻋ ِﺏﻮُﻴُﻐْﻟﺍ ٣٤﴿ ﴾٤٨ : → ( 8 ) তিনি অদৃশ্যের জ্ঞানী। পরন্ত তিনি অদৃশ্য বিষয় কারও কাছে প্রকাশ করেন না। ( Sura Jinn)
ِﺐْﻴَﻐْﻟﺍ ُﻢِﻟﺎَﻋ ﺎَﻠَﻓ ُﺮِﻬْﻈُﻳ ٰﻰَﻠَﻋ ِﻪِﺒْﻴَﻏ ﺍًﺪَﺣَﺃ [
: ٢٦ ٢٧ → ( 9 ) তাঁর কাছেই অদৃশ্য জগতের চাবি রয়েছে। এ গুলো তিনি ব্যতীত কেউ জানে না। স্থলে ও জলে যা আছে, তিনিই জানেন। কোন পাতা ঝরে না; কিন্তু তিনি তা জানেন। কোন শস্য কণা মৃত্তিকার অন্ধকার অংশে পতিত হয় না এবং কোন আর্দ্র ও শুস্ক দ্রব্য পতিত হয় না; কিন্তু তা সব প্রকাশ্য গ্রন্থে রয়েছে। (Al-An'aam: 59)
: ٢٦ ٢٧ → ( 9 ) তাঁর কাছেই অদৃশ্য জগতের চাবি রয়েছে। এ গুলো তিনি ব্যতীত কেউ জানে না। স্থলে ও জলে যা আছে, তিনিই জানেন। কোন পাতা ঝরে না; কিন্তু তিনি তা জানেন। কোন শস্য কণা মৃত্তিকার অন্ধকার অংশে পতিত হয় না এবং কোন আর্দ্র ও শুস্ক দ্রব্য পতিত হয় না; কিন্তু তা সব প্রকাশ্য গ্রন্থে রয়েছে। (Al-An'aam: 59)
ُﻩَﺪﻨِﻋَﻭ ُﺢِﺗﺎَﻔَﻣ ِﺐْﻴَﻐْﻟﺍ ﺎَﻬُﻤَﻠْﻌَﻳ ﺎَﻟ ﺎَّﻟِﺇ َۚﻮُﻫ ُﻢَﻠْﻌَﻳَﻭ ﺎَﻣ ﻲِﻓ ِّﺮَﺒْﻟﺍ ِۚﺮْﺤَﺒْﻟﺍَﻭ ُﻂُﻘْﺴَﺗ ﺎَﻣَﻭ ﻦِﻣ ٍﺔَﻗَﺭَﻭ ﺎَﻬُﻤَﻠْﻌَﻳ ﺎَّﻟِﺇ ﺎَﻟَﻭ ٍﺔَّﺒَﺣ ﻲِﻓ ِﺕﺎَﻤُﻠُﻇ ٍﺐْﻃَﺭ ﺎَﻟَﻭ ِﺽْﺭَﺄْﻟﺍ ٍﺲِﺑﺎَﻳ ﺎَﻟَﻭ ﺎَّﻟِﺇ ﻲِﻓ ٍﻦﻴِﺒُّﻣ ٍﺏﺎَﺘِﻛ
→ ( 10 ) তিনি অদৃশ্যের জ্ঞানী। পরন্ত তিনি অদৃশ্য বিষয় কারও কাছে প্রকাশ করেন না। (Al-Jinn: 26)
ِﺐْﻴَﻐْﻟﺍ ُﻢِﻟﺎَﻋ ﺎَﻠَﻓ ُﺮِﻬْﻈُﻳ ٰﻰَﻠَﻋ ِﻪِﺒْﻴَﻏ ﺍًﺪَﺣَﺃ →
11 ) যেদিন আল্লাহ সব পয়গম্বরকে একত্রিত করবেন, অতঃপর বলবেন তোমরা কি উত্তর পেয়েছিলে? তাঁরা বলবেনঃ আমরা অবগত নই, আপনিই অদৃশ্য বিষয়ে মহাজ্ঞানী। (Al-Maaida: 109)
11 ) যেদিন আল্লাহ সব পয়গম্বরকে একত্রিত করবেন, অতঃপর বলবেন তোমরা কি উত্তর পেয়েছিলে? তাঁরা বলবেনঃ আমরা অবগত নই, আপনিই অদৃশ্য বিষয়ে মহাজ্ঞানী। (Al-Maaida: 109)
ُﻊَﻤْﺠَﻳ َﻡْﻮَﻳ ُﻪَّﻠﻟﺍ َﻞُﺳُّﺮﻟﺍ ُﻝﻮُﻘَﻴَﻓ ﺍَﺫﺎَﻣ ﺍﻮُﻟﺎَﻗ ْۖﻢُﺘْﺒِﺟُﺃ ﺎَﻟ َﻢْﻠِﻋ ۖﺎَﻨَﻟ َﻚَّﻧِﺇ َﺖﻧَﺃ ُﻡﺎَّﻠَﻋ ِﺏﻮُﻴُﻐْﻟﺍ →
( 12 ) যখন আমি সোলায়মানের মৃত্যু ঘটালাম, তখন ঘুণ পোকাই জিনদেরকে তাঁর মৃত্যু সম্পর্কে অবহিত করল। সোলায়মানের লাঠি খেয়ে যাচ্ছিল। যখন তিনি মাটিতে পড়ে গেলেন, তখন জিনেরা বুঝতে পারল যে, অদৃশ্য বিষয়ের জ্ঞান থাকলে তারা এই লাঞ্ছনাপূর্ণ শাস্তিতে আবদ্ধ থাকতো না। (Saba: 14)
ﺎَّﻤَﻠَﻓ ﺎَﻨْﻴَﻀَﻗ ِﻪْﻴَﻠَﻋ َﺕْﻮَﻤْﻟﺍ ْﻢُﻬَّﻟَﺩ ﺎَﻣ ِﻪِﺗْﻮَﻣ ٰﻰَﻠَﻋ ﺎَّﻟِﺇ ِﺽْﺭَﺄْﻟﺍ ُﺔَّﺑﺍَﺩ ُﻞُﻛْﺄَﺗ ُۖﻪَﺗَﺄَﺴﻨِﻣ ﺎَّﻤَﻠَﻓ َّﺮَﺧ ِﺖَﻨَّﻴَﺒَﺗ ُّﻦِﺠْﻟﺍ ﻥَﺃ ْﻮَّﻟ َﻥﻮُﻤَﻠْﻌَﻳ ﺍﻮُﻧﺎَﻛ َﺐْﻴَﻐْﻟﺍ ﺎَﻣ ِﻦﻴِﻬُﻤْﻟﺍ ﺍﻮُﺜِﺒَﻟ ﻲِﻓ ِﺏﺍَﺬَﻌْﻟﺍ →
13) আপনি বলুনঃ আমি তোমাদেরকে বলি না যে, আমার কাছে আল্লাহর ভান্ডার রয়েছে। তাছাড়া আমি অদৃশ্য বিষয় অবগতও নই। আমি এমন বলি না যে, আমি ফেরেশতা। আমি তো শুধু ঐ ওহীর অনুসরণ করি, যা আমার কাছে আসে। আপনি বলে দিনঃ অন্ধ ও চক্ষুমান কি সমান হতে পারে? তোমরা কি চিন্তা কর না ? (Al-An'aam: 50)
13) আপনি বলুনঃ আমি তোমাদেরকে বলি না যে, আমার কাছে আল্লাহর ভান্ডার রয়েছে। তাছাড়া আমি অদৃশ্য বিষয় অবগতও নই। আমি এমন বলি না যে, আমি ফেরেশতা। আমি তো শুধু ঐ ওহীর অনুসরণ করি, যা আমার কাছে আসে। আপনি বলে দিনঃ অন্ধ ও চক্ষুমান কি সমান হতে পারে? তোমরা কি চিন্তা কর না ? (Al-An'aam: 50)
ﻞُﻗ ُﻝﻮُﻗَﺃ ﺎَّﻟ ْﻢُﻜَﻟ ﻱِﺪﻨِﻋ ِﻪَّﻠﻟﺍ ُﻦِﺋﺍَﺰَﺧ ﺎَﻟَﻭ ُﻢَﻠْﻋَﺃ ُﻝﻮُﻗَﺃ ﺎَﻟَﻭ َﺐْﻴَﻐْﻟﺍ ْﻢُﻜَﻟ ﻲِّﻧِﺇ ٌۖﻚَﻠَﻣ ْﻥِﺇ ُﻊِﺒَّﺗَﺃ ﺎَّﻟِﺇ ﺎَﻣ ٰﻰَﺣﻮُﻳ ْﻞُﻗ َّۚﻲَﻟِﺇ ﻱِﻮَﺘْﺴَﻳ ْﻞَﻫ ﺮﻴِﺼَﺒْﻟﺍَﻭ ٰﻰَﻤْﻋَﺄْﻟﺍ ُۚ ﺎَﻠَﻓَﺃ ﻥﻭُﺮَّﻜَﻔَﺘَﺗ
★ পবিত্র ক্বোরআন আল্লাহকেই গায়েব বিষয়ে জানার সাক্ষ্য দেয়ঃ >>>
উপরে বর্ণিত কোরআনের আয়াতগুলো দ্বারা বুঝা যায় রাসুল (সাঃ) গায়েব জানতেন না। সবগুলো আয়াতে স্পষ্টভাবে ঘোষনা করা হচ্ছে আল্লাহ ছাড়া কেউ গায়েব জানেন না। এবার নিচের আয়াতগুলো দেখি। নিচের আয়াতগুলো একমাত্র আল্লাহকেই ُﻢِﻟﺎَﻋ ِﺐْﻴَﻐْﻟﺍ বা গায়েব জানার মালিক হিসেবে সাক্ষ্য দিচ্ছে। →
( 1 ) তিনি অদৃশ্যের জ্ঞানী। পরন্ত তিনি অদৃশ্য বিষয় কারও কাছে প্রকাশ করেন না।
(Al-Jinn: 26)
ِﺐْﻴَﻐْﻟﺍ ُﻢِﻟﺎَﻋ ﺎَﻠَﻓ ُﺮِﻬْﻈُﻳ ٰﻰَﻠَﻋ ِﻪِﺒْﻴَﻏ ﺍًﺪَﺣَﺃ →
2 ) তিনি দৃশ্য ও অদৃশ্যের জ্ঞানী, পরাক্রান্ত, প্রজ্ঞাময়। (At-Taghaabun:18)
★ পবিত্র ক্বোরআন আল্লাহকেই গায়েব বিষয়ে জানার সাক্ষ্য দেয়ঃ >>>
উপরে বর্ণিত কোরআনের আয়াতগুলো দ্বারা বুঝা যায় রাসুল (সাঃ) গায়েব জানতেন না। সবগুলো আয়াতে স্পষ্টভাবে ঘোষনা করা হচ্ছে আল্লাহ ছাড়া কেউ গায়েব জানেন না। এবার নিচের আয়াতগুলো দেখি। নিচের আয়াতগুলো একমাত্র আল্লাহকেই ُﻢِﻟﺎَﻋ ِﺐْﻴَﻐْﻟﺍ বা গায়েব জানার মালিক হিসেবে সাক্ষ্য দিচ্ছে। →
( 1 ) তিনি অদৃশ্যের জ্ঞানী। পরন্ত তিনি অদৃশ্য বিষয় কারও কাছে প্রকাশ করেন না।
(Al-Jinn: 26)
ِﺐْﻴَﻐْﻟﺍ ُﻢِﻟﺎَﻋ ﺎَﻠَﻓ ُﺮِﻬْﻈُﻳ ٰﻰَﻠَﻋ ِﻪِﺒْﻴَﻏ ﺍًﺪَﺣَﺃ →
2 ) তিনি দৃশ্য ও অদৃশ্যের জ্ঞানী, পরাক্রান্ত, প্রজ্ঞাময়। (At-Taghaabun:18)
ُﻢِﻟﺎَﻋ ِﺓَﺩﺎَﻬَّﺸﻟﺍَﻭ ِﺐْﻴَﻐْﻟﺍ ُﺰﻳِﺰَﻌْﻟﺍ ُﻢﻴِﻜَﺤْﻟﺍ → ( 3 ) তিনিই দৃশ্য ও অদৃশ্যের জ্ঞানী, পরাক্রমশালী, পরম দয়ালু। (As-Sajda: 6)
َﻚِﻟَٰﺫ ِﺐْﻴَﻐْﻟﺍ ُﻢِﻟﺎَﻋ ُﺰﻳِﺰَﻌْﻟﺍ ِﺓَﺩﺎَﻬَّﺸﻟﺍَﻭ ُﻢﻴِﺣَّﺮﻟﺍ → ( 4 ) তিনি দৃশ্য ও অদৃশ্যের জ্ঞানী। তারা শরীক করে, তিনি তা থেকে উর্ধ্বে। (Al-Muminoon: 92) ِﻢِﻟﺎَﻋ ِﺓَﺩﺎَﻬَّﺸﻟﺍَﻭ ِﺐْﻴَﻐْﻟﺍ ٰﻰَﻟﺎَﻌَﺘَﻓ َﻥﻮُﻛِﺮْﺸُﻳ ﺎَّﻤَﻋ → (
5 ) আল্লাহ নভোমন্ডল ও ভূমন্ডলের অদৃশ্য বিষয় জানেন, তোমরা যা কর আল্লাহ তা দেখেন। (Al-Hujuraat: 18)
َّﻥِﺇ ُﻢَﻠْﻌَﻳ َﻪَّﻠﻟﺍ َﺐْﻴَﻏ ِﺕﺍَﻭﺎَﻤَّﺴﻟﺍ ُﻪَّﻠﻟﺍَﻭ ِۚﺽْﺭَﺄْﻟﺍَﻭ ٌﺮﻴِﺼَﺑ َﻥﻮُﻠَﻤْﻌَﺗ ﺎَﻤِﺑ → ( 6 ) আল্লাহ আসমান ও যমীনের অদৃশ্য বিষয় সম্পর্কে জ্ঞাত। তিনি অন্তরের বিষয় সম্পর্কেও সবিশেষ অবহিত। (Faatir: 38)
َﻚِﻟَٰﺫ ِﺐْﻴَﻐْﻟﺍ ُﻢِﻟﺎَﻋ ُﺰﻳِﺰَﻌْﻟﺍ ِﺓَﺩﺎَﻬَّﺸﻟﺍَﻭ ُﻢﻴِﺣَّﺮﻟﺍ → ( 4 ) তিনি দৃশ্য ও অদৃশ্যের জ্ঞানী। তারা শরীক করে, তিনি তা থেকে উর্ধ্বে। (Al-Muminoon: 92) ِﻢِﻟﺎَﻋ ِﺓَﺩﺎَﻬَّﺸﻟﺍَﻭ ِﺐْﻴَﻐْﻟﺍ ٰﻰَﻟﺎَﻌَﺘَﻓ َﻥﻮُﻛِﺮْﺸُﻳ ﺎَّﻤَﻋ → (
5 ) আল্লাহ নভোমন্ডল ও ভূমন্ডলের অদৃশ্য বিষয় জানেন, তোমরা যা কর আল্লাহ তা দেখেন। (Al-Hujuraat: 18)
َّﻥِﺇ ُﻢَﻠْﻌَﻳ َﻪَّﻠﻟﺍ َﺐْﻴَﻏ ِﺕﺍَﻭﺎَﻤَّﺴﻟﺍ ُﻪَّﻠﻟﺍَﻭ ِۚﺽْﺭَﺄْﻟﺍَﻭ ٌﺮﻴِﺼَﺑ َﻥﻮُﻠَﻤْﻌَﺗ ﺎَﻤِﺑ → ( 6 ) আল্লাহ আসমান ও যমীনের অদৃশ্য বিষয় সম্পর্কে জ্ঞাত। তিনি অন্তরের বিষয় সম্পর্কেও সবিশেষ অবহিত। (Faatir: 38)
َﻪَّﻠﻟﺍ َّﻥِﺇ ُﻢِﻟﺎَﻋ ِﺐْﻴَﻏ ِﺕﺍَﻭﺎَﻤَّﺴﻟﺍ ِۚﺽْﺭَﺄْﻟﺍَﻭ ٌﻢﻴِﻠَﻋ ُﻪَّﻧِﺇ ِﺕﺍَﺬِﺑ ِﺭﻭُﺪُّﺼﻟﺍ → ( 7 ) তিনিই আল্লাহ তা ’ আলা, তিনি ব্যতীত কোন উপাস্য নেই; তিনি দৃশ্য ও অদৃশ্যকে জানেন তিনি পরম দয়ালু, অসীম দাতা। (Al-Hashr: 22)
َﻮُﻫ ُﻪَّﻠﻟﺍ ﻱِﺬَّﻟﺍ َﻪَٰﻟِﺇ ﺎَﻟ ﺎَّﻟِﺇ َۖﻮُﻫ ُﻢِﻟﺎَﻋ ِۖﺓَﺩﺎَﻬَّﺸﻟﺍَﻭ ِﺐْﻴَﻐْﻟﺍ َﻮُﻫ ُﻦَٰﻤْﺣَّﺮﻟﺍ ُﻢﻴِﺣَّﺮﻟﺍ → ( 8 ) বলুন, হে আল্লাহ আসমান ও যমীনের স্রষ্টা, দৃশ্য ও অদৃশ্যের জ্ঞানী, আপনিই আপনার বান্দাদের মধ্যে ফয়সালা করবেন, যে বিষয়ে তারা মত বিরোধ করত। (Az-Zumar: 46)
ِﻞُﻗ َّﻢُﻬَّﻠﻟﺍ َﺮِﻃﺎَﻓ ِﺕﺍَﻭﺎَﻤَّﺴﻟﺍ ِﺽْﺭَﺄْﻟﺍَﻭ َﻢِﻟﺎَﻋ ِﺐْﻴَﻐْﻟﺍ ِﺓَﺩﺎَﻬَّﺸﻟﺍَﻭ ُﻢُﻜْﺤَﺗ َﺖﻧَﺃ َﻦْﻴَﺑ َﻙِﺩﺎَﺒِﻋ ﻲِﻓ ﺎَﻣ ﺍﻮُﻧﺎَﻛ ِﻪﻴِﻓ َﻥﻮُﻔِﻠَﺘْﺨَﻳ → ( 9 ) যেদিন আল্লাহ সব পয়গম্বরকে একত্রিত করবেন, অতঃপর বলবেন তোমরা কি উত্তর পেয়েছিলে? তাঁরা বলবেনঃ আমরা অবগত নই, আপনিই অদৃশ্য বিষয়ে মহাজ্ঞানী। (Al-Maaida: 109)
ُﻊَﻤْﺠَﻳ َﻡْﻮَﻳ ُﻪَّﻠﻟﺍ َﻞُﺳُّﺮﻟﺍ ُﻝﻮُﻘَﻴَﻓ ﺍَﺫﺎَﻣ ﺍﻮُﻟﺎَﻗ ْۖﻢُﺘْﺒِﺟُﺃ ﺎَﻟ َﻢْﻠِﻋ ۖﺎَﻨَﻟ َﻚَّﻧِﺇ َﺖﻧَﺃ ُﻡﺎَّﻠَﻋ ِﺏﻮُﻴُﻐْﻟﺍ → ( 10 ) বলুন, তোমরা যে মৃত্যু থেকে পলায়নপর, সেই মৃত্যু অবশ্যই তোমাদের মুখামুখি হবে, অতঃপর তোমরা অদৃশ্য, দৃশ্যের জ্ঞানী আল্লাহর কাছে উপস্থিত হবে। তিনি তোমাদেরকে জানিয়ে দিবেন সেসব কর্ম, যা তোমরা করতে। (Al-Jumu'a: 8)
ْﻞُﻗ َّﻥِﺇ ﻱِﺬَّﻟﺍ َﺕْﻮَﻤْﻟﺍ َﻥﻭُّﺮِﻔَﺗ ُﻪْﻨِﻣ ُﻪَّﻧِﺈَﻓ َّﻢُﺛ ْۖﻢُﻜﻴِﻗﺎَﻠُﻣ َﻥﻭُّﺩَﺮُﺗ ٰﻰَﻟِﺇ ِﻢِﻟﺎَﻋ ِﺓَﺩﺎَﻬَّﺸﻟﺍَﻭ ِﺐْﻴَﻐْﻟﺍ ﺎَﻤِﺑ ﻢُﻜُﺌِّﺒَﻨُﻴَﻓ َﻥﻮُﻠَﻤْﻌَﺗ ْﻢُﺘﻨُﻛ → ( 11 ) তিনিই সঠিকভাবে নভোমন্ডল সৃষ্টি করেছেন। যেদিন তিনি বলবেনঃ হয়ে যা, অতঃপর হয়ে যাবে। তাঁর কথা সত্য। যেদিন শিঙ্গায় ফুৎকার করা হবে, সেদিন তাঁরই আধিপত্য হবে। তিনি অদৃশ্য বিষয়ে এবং প্রত্যক্ষ বিষয়ে জ্ঞাত। তিনিই প্রজ্ঞাময়,সর্বজ্ঞ।
(Al-An'aam: 73)
(Al-An'aam: 73)
ﻱِﺬَّﻟﺍ َﻮُﻫَﻭ َﻖَﻠَﺧ ِﺕﺍَﻭﺎَﻤَّﺴﻟﺍ َﺽْﺭَﺄْﻟﺍَﻭ َﻡْﻮَﻳَﻭ ِّۖﻖَﺤْﻟﺎِﺑ ﻦُﻛ ُﻝﻮُﻘَﻳ ُۚﻥﻮُﻜَﻴَﻓ ُّۚﻖَﺤْﻟﺍ ُﻪُﻟْﻮَﻗ ُﻚْﻠُﻤْﻟﺍ ُﻪَﻟَﻭ َﻡْﻮَﻳ ُﺦَﻔﻨُﻳ ﻲِﻓ ِۚﺭﻮُّﺼﻟﺍ ِﺐْﻴَﻐْﻟﺍ ُﻢِﻟﺎَﻋ ِۚﺓَﺩﺎَﻬَّﺸﻟﺍَﻭ َﻮُﻫَﻭ ُﻢﻴِﻜَﺤْﻟﺍ ُﺮﻴِﺒَﺨْﻟﺍ ٦﴿ ﴾٧٣ : → ( 12 )
বলুনঃ তারা কতকাল অবস্থান করেছে, তা আল্লাহই ভাল জানেন। নভোমন্ডল ও ভুমন্ডলের অদৃশ্য বিষয়ের জ্ঞান তাঁরই কাছে রয়েছে। তিনি কত চমৎকার দেখেন ও শোনেন। তিনি ব্যতীত তাদের জন্য কোন সাহায্যকারী নেই। তিনি কাউকে নিজ কর্তৃত্বে শরীক করেন না। (Al-Kahf: 26)
বলুনঃ তারা কতকাল অবস্থান করেছে, তা আল্লাহই ভাল জানেন। নভোমন্ডল ও ভুমন্ডলের অদৃশ্য বিষয়ের জ্ঞান তাঁরই কাছে রয়েছে। তিনি কত চমৎকার দেখেন ও শোনেন। তিনি ব্যতীত তাদের জন্য কোন সাহায্যকারী নেই। তিনি কাউকে নিজ কর্তৃত্বে শরীক করেন না। (Al-Kahf: 26)
ُﻪَّﻠﻟﺍ ِﻞُﻗ ﺎَﻤِﺑ ُﻢَﻠْﻋَﺃ ۖﺍﻮُﺜِﺒَﻟ ُﻪَﻟ ُﺐْﻴَﻏ ِﺕﺍَﻭﺎَﻤَّﺴﻟﺍ ِۖﺽْﺭَﺄْﻟﺍَﻭ ْﺮِﺼْﺑَﺃ ِﻪِﺑ ْۚﻊِﻤْﺳَﺃَﻭ ﺎَﻣ ﻢُﻬَﻟ ﻦِّﻣ ِﻪِﻧﻭُﺩ ﻦِﻣ ٍّﻲِﻟَﻭ ُﻙِﺮْﺸُﻳ ﺎَﻟَﻭ ﻲِﻓ ِﻪِﻤْﻜُﺣ ﺍًﺪَﺣَﺃ
( 13 কাফেররা বলে আমাদের উপর কেয়ামত আসবে না। বলুন কেন আসবে না? আমার পালনকর্তার শপথ-অবশ্যই আসবে। তিনি অদৃশ্য সম্পর্কে জ্ঞাত। নভোমন্ডলে ও ভূ-মন্ডলে তাঁর আগোচরে নয় অণু পরিমাণ কিছু, না তদপেক্ষা ক্ষুদ্র এবং না বৃহৎ-সমস্তই আছে সুস্পষ্ট কিতাবে। (Sura Saba: 3)
( 13 কাফেররা বলে আমাদের উপর কেয়ামত আসবে না। বলুন কেন আসবে না? আমার পালনকর্তার শপথ-অবশ্যই আসবে। তিনি অদৃশ্য সম্পর্কে জ্ঞাত। নভোমন্ডলে ও ভূ-মন্ডলে তাঁর আগোচরে নয় অণু পরিমাণ কিছু, না তদপেক্ষা ক্ষুদ্র এবং না বৃহৎ-সমস্তই আছে সুস্পষ্ট কিতাবে। (Sura Saba: 3)
َﻦﻳِﺬَّﻟﺍ َﻝﺎَﻗَﻭ ﺍﻭُﺮَﻔَﻛ ﺎَﻟ ﺎَﻨﻴِﺗْﺄَﺗ ُۖﺔَﻋﺎَّﺴﻟﺍ ْﻞُﻗ ﻲِّﺑَﺭَﻭ ٰﻰَﻠَﺑ ْﻢُﻜَّﻨَﻴِﺗْﺄَﺘَﻟ ِۖﺐْﻴَﻐْﻟﺍ ِﻢِﻟﺎَﻋ ﺎَﻟ ُﻪْﻨَﻋ ُﺏُﺰْﻌَﻳ ُﻝﺎَﻘْﺜِﻣ ٍﺓَّﺭَﺫ ﻲِﻓ ﺎَﻟَﻭ ِﺕﺍَﻭﺎَﻤَّﺴﻟﺍ ﻲِﻓ ُﺮَﻐْﺻَﺃ ﺎَﻟَﻭ ِﺽْﺭَﺄْﻟﺍ ﻦِﻣ َﻚِﻟَٰﺫ ﺎَﻟَﻭ ُﺮَﺒْﻛَﺃ ﺎَّﻟِﺇ ﻲِﻓ ٍﻦﻴِﺒُّﻣ ٍﺏﺎَﺘِﻛ → ( 14 ) যখন আমি সোলায়মানের মৃত্যু ঘটালাম, তখন ঘুণ পোকাই জিনদেরকে তাঁর মৃত্যু সম্পর্কে অবহিত করল। সোলায়মানের লাঠি খেয়ে যাচ্ছিল। যখন তিনি মাটিতে পড়ে গেলেন, তখন জিনেরা বুঝতে পারল।যে, অদৃশ্য বিষয়ের জ্ঞান থাকলে তারা এই লাঞ্ছনাপূর্ণ শাস্তিতে আবদ্ধ থাকতো না। (Saba: 14)
ﺎَّﻤَﻠَﻓ ﺎَﻨْﻴَﻀَﻗ ِﻪْﻴَﻠَﻋ َﺕْﻮَﻤْﻟﺍ ْﻢُﻬَّﻟَﺩ ﺎَﻣ ِﻪِﺗْﻮَﻣ ٰﻰَﻠَﻋ ﺎَّﻟِﺇ ِﺽْﺭَﺄْﻟﺍ ُﺔَّﺑﺍَﺩ ُﻞُﻛْﺄَﺗ ُۖﻪَﺗَﺄَﺴﻨِﻣ ﺎَّﻤَﻠَﻓ َّﺮَﺧ ِﺖَﻨَّﻴَﺒَﺗ ُّﻦِﺠْﻟﺍ ﻥَﺃ ْﻮَّﻟ ﺍﻮُﻧﺎَﻛ َﻥﻮُﻤَﻠْﻌَﻳ َﺐْﻴَﻐْﻟﺍ ﺎَﻣ ﻲِﻓ ِﺏﺍَﺬَﻌْﻟﺍ ِﻦﻴِﻬُﻤْﻟﺍ ﺍﻮُﺜِﺒَﻟ →
15 ) আপনি বলুনঃ আমি তোমাদেরকে বলি না যে, আমার কাছে আল্লাহর ভান্ডার রয়েছে। তাছাড়া আমি অদৃশ্য বিষয় অবগতও নই। আমি এমন বলি না যে, আমি ফেরেশতা। আমি তো শুধু ঐ ওহীর অনুসরণ করি, যা আমার কাছে আসে। আপনি বলে দিনঃ অন্ধ ও চক্ষুমান কি সমান হতে পারে? তোমরা কি চিন্তা কর না ? (Al-An'aam: 50) ﻞُﻗ ُﻝﻮُﻗَﺃ ﺎَّﻟ ْﻢُﻜَﻟ ﻱِﺪﻨِﻋ ِﻪَّﻠﻟﺍ ُﻦِﺋﺍَﺰَﺧ ﺎَﻟَﻭ ُﻢَﻠْﻋَﺃ ُﻝﻮُﻗَﺃ ﺎَﻟَﻭ َﺐْﻴَﻐْﻟﺍ ْﻢُﻜَﻟ ﻲِّﻧِﺇ ٌۖﻚَﻠَﻣ ْﻥِﺇ ُﻊِﺒَّﺗَﺃ ﺎَّﻟِﺇ ﺎَﻣ ٰﻰَﺣﻮُﻳ ْﻞُﻗ َّۚﻲَﻟِﺇ ْﻞَﻫ ُۚﺮﻴِﺼَﺒْﻟﺍَﻭ ٰﻰَﻤْﻋَﺄْﻟﺍ ﻱِﻮَﺘْﺴَﻳ ﺎَﻠَﻓَﺃ َﻥﻭُﺮَّﻜَﻔَﺘَﺗ ٦﴿ ﴾٥٠ : → ( 16 ) তাঁর কাছেই অদৃশ্য জগতের চাবি রয়েছে। এ গুলো তিনি ব্যতীত কেউ জানে না। স্থলে ও জলে যা আছে, তিনিই জানেন। কোন পাতা ঝরেনা; কিন্তু তিনি তা জানেন। কোন শস্য কণা মৃত্তিকার অন্ধকার অংশে পতিত হয় না এবং কোন আর্দ্র ও শুস্ক দ্রব্য পতিত হয় না; কিন্তু তা সব প্রকাশ্য গ্রন্থে রয়েছে। (Al-An'aam: 59) ُﻩَﺪﻨِﻋَﻭ ُﺢِﺗﺎَﻔَﻣ ِﺐْﻴَﻐْﻟﺍ ﺎَﻬُﻤَﻠْﻌَﻳ ﺎَﻟ ﺎَّﻟِﺇ َۚﻮُﻫ ُﻢَﻠْﻌَﻳَﻭ ﺎَﻣ ﻲِﻓ ِّﺮَﺒْﻟﺍ ِۚﺮْﺤَﺒْﻟﺍَﻭ ُﻂُﻘْﺴَﺗ ﺎَﻣَﻭ ﻦِﻣ ٍﺔَﻗَﺭَﻭ ﺎَﻬُﻤَﻠْﻌَﻳ ﺎَّﻟِﺇ ﺎَﻟَﻭ ٍﺔَّﺒَﺣ ﻲِﻓ ِﺕﺎَﻤُﻠُﻇ ٍﺐْﻃَﺭ ﺎَﻟَﻭ ِﺽْﺭَﺄْﻟﺍ ٍﺲِﺑﺎَﻳ ﺎَﻟَﻭ ﺎَّﻟِﺇ ٍﺏﺎَﺘِﻛ ﻲِﻓ ٍﻦﻴِﺒُّﻣ ٦﴿ ﴾٥٩ : → ( 17 ) যখন আল্লাহ বললেনঃ হে ঈসা ইবনে মরিয়ম !তুমি কি লোকদেরকে বলে দিয়েছিলে যে, আল্লাহকে ছেড়ে আমাকে ও আমার মাতাকে উপাস্য সাব্যস্ত কর? ঈসা বলবেন; আপনি পবিত্র !আমার জন্যে শোভা পায় না যে, আমি এমন কথা বলি, যা বলার।কোন অধিকার আমার নেই। যদি আমি বলে থাকি, তবে আপনি অবশ্যই পরিজ্ঞাত; আপনি তো আমার মনের কথা ও জানেন এবং আমি জানি না যা আপনার মনে আছে। নিশ্চয় আপনিই অদৃশ্য বিষয়ে জ্ঞাত। (Al-Maaida: 116) ْﺫِﺇَﻭ َﻝﺎَﻗ ُﻪَّﻠﻟﺍ ﺎَﻳ ﻰَﺴﻴِﻋ َﻢَﻳْﺮَﻣ َﻦْﺑﺍ َﺖﻧَﺃَﺃ َﺖْﻠُﻗ ِﺱﺎَّﻨﻠِﻟ ﻲِﻧﻭُﺬِﺨَّﺗﺍ َﻲِّﻣُﺃَﻭ ﻦِﻣ ِﻦْﻴَﻬَٰﻟِﺇ ِﻥﻭُﺩ ِۖﻪَّﻠﻟﺍ َﻝﺎَﻗ َﻚَﻧﺎَﺤْﺒُﺳ ﺎَﻣ ﻲِﻟ ُﻥﻮُﻜَﻳ ْﻥَﺃ َﻝﻮُﻗَﺃ ﺎَﻣ َﺲْﻴَﻟ ﻲِﻟ ٍّۚﻖَﺤِﺑ ﻥِﺇ ُﺖﻨُﻛ ُﻪُﺘْﻠُﻗ ْﺪَﻘَﻓ ُﻢَﻠْﻌَﺗ ُۚﻪَﺘْﻤِﻠَﻋ ﺎَﻣ ﻲِﻓ ﺎَﻟَﻭ ﻲِﺴْﻔَﻧ ُﻢَﻠْﻋَﺃ ﺎَﻣ ﻲِﻓ َۚﻚِﺴْﻔَﻧ َﻚَّﻧِﺇ َﺖﻧَﺃ ُﻡﺎَّﻠَﻋ ِﺏﻮُﻴُﻐْﻟﺍ → ( 18 ) আর আল্লাহর কাছেই আছে আসমান ও যমীনের গোপন তথ্য; আর সকল কাজের প্রত্যাবর্তন তাঁরই দিকে; অতএব, তাঁরই বন্দেগী কর এবং তাঁর উপর ভরসা রাখ, আর তোমাদের কার্যকলাপ সম্বন্ধে তোমার পালনকর্তা কিন্তু বে-খবর নন। (Sura Hud:123) ِﻪَّﻠِﻟَﻭ ُﺐْﻴَﻏ ِﺕﺍَﻭﺎَﻤَّﺴﻟﺍ ِﻪْﻴَﻟِﺇَﻭ ِﺽْﺭَﺄْﻟﺍَﻭ ُﻊَﺟْﺮُﻳ ُﺮْﻣَﺄْﻟﺍ ُﻪُّﻠُﻛ ُﻩْﺪُﺒْﻋﺎَﻓ ْﻞَّﻛَﻮَﺗَﻭ ۚ ِﻪْﻴَﻠَﻋ ﺎَﻣَﻭ َﻚُّﺑَﺭ ٍﻞِﻓﺎَﻐِﺑ ﻥﻮُﻠَﻤْﻌَﺗ ﺎَّﻤَﻋ
15 ) আপনি বলুনঃ আমি তোমাদেরকে বলি না যে, আমার কাছে আল্লাহর ভান্ডার রয়েছে। তাছাড়া আমি অদৃশ্য বিষয় অবগতও নই। আমি এমন বলি না যে, আমি ফেরেশতা। আমি তো শুধু ঐ ওহীর অনুসরণ করি, যা আমার কাছে আসে। আপনি বলে দিনঃ অন্ধ ও চক্ষুমান কি সমান হতে পারে? তোমরা কি চিন্তা কর না ? (Al-An'aam: 50) ﻞُﻗ ُﻝﻮُﻗَﺃ ﺎَّﻟ ْﻢُﻜَﻟ ﻱِﺪﻨِﻋ ِﻪَّﻠﻟﺍ ُﻦِﺋﺍَﺰَﺧ ﺎَﻟَﻭ ُﻢَﻠْﻋَﺃ ُﻝﻮُﻗَﺃ ﺎَﻟَﻭ َﺐْﻴَﻐْﻟﺍ ْﻢُﻜَﻟ ﻲِّﻧِﺇ ٌۖﻚَﻠَﻣ ْﻥِﺇ ُﻊِﺒَّﺗَﺃ ﺎَّﻟِﺇ ﺎَﻣ ٰﻰَﺣﻮُﻳ ْﻞُﻗ َّۚﻲَﻟِﺇ ْﻞَﻫ ُۚﺮﻴِﺼَﺒْﻟﺍَﻭ ٰﻰَﻤْﻋَﺄْﻟﺍ ﻱِﻮَﺘْﺴَﻳ ﺎَﻠَﻓَﺃ َﻥﻭُﺮَّﻜَﻔَﺘَﺗ ٦﴿ ﴾٥٠ : → ( 16 ) তাঁর কাছেই অদৃশ্য জগতের চাবি রয়েছে। এ গুলো তিনি ব্যতীত কেউ জানে না। স্থলে ও জলে যা আছে, তিনিই জানেন। কোন পাতা ঝরেনা; কিন্তু তিনি তা জানেন। কোন শস্য কণা মৃত্তিকার অন্ধকার অংশে পতিত হয় না এবং কোন আর্দ্র ও শুস্ক দ্রব্য পতিত হয় না; কিন্তু তা সব প্রকাশ্য গ্রন্থে রয়েছে। (Al-An'aam: 59) ُﻩَﺪﻨِﻋَﻭ ُﺢِﺗﺎَﻔَﻣ ِﺐْﻴَﻐْﻟﺍ ﺎَﻬُﻤَﻠْﻌَﻳ ﺎَﻟ ﺎَّﻟِﺇ َۚﻮُﻫ ُﻢَﻠْﻌَﻳَﻭ ﺎَﻣ ﻲِﻓ ِّﺮَﺒْﻟﺍ ِۚﺮْﺤَﺒْﻟﺍَﻭ ُﻂُﻘْﺴَﺗ ﺎَﻣَﻭ ﻦِﻣ ٍﺔَﻗَﺭَﻭ ﺎَﻬُﻤَﻠْﻌَﻳ ﺎَّﻟِﺇ ﺎَﻟَﻭ ٍﺔَّﺒَﺣ ﻲِﻓ ِﺕﺎَﻤُﻠُﻇ ٍﺐْﻃَﺭ ﺎَﻟَﻭ ِﺽْﺭَﺄْﻟﺍ ٍﺲِﺑﺎَﻳ ﺎَﻟَﻭ ﺎَّﻟِﺇ ٍﺏﺎَﺘِﻛ ﻲِﻓ ٍﻦﻴِﺒُّﻣ ٦﴿ ﴾٥٩ : → ( 17 ) যখন আল্লাহ বললেনঃ হে ঈসা ইবনে মরিয়ম !তুমি কি লোকদেরকে বলে দিয়েছিলে যে, আল্লাহকে ছেড়ে আমাকে ও আমার মাতাকে উপাস্য সাব্যস্ত কর? ঈসা বলবেন; আপনি পবিত্র !আমার জন্যে শোভা পায় না যে, আমি এমন কথা বলি, যা বলার।কোন অধিকার আমার নেই। যদি আমি বলে থাকি, তবে আপনি অবশ্যই পরিজ্ঞাত; আপনি তো আমার মনের কথা ও জানেন এবং আমি জানি না যা আপনার মনে আছে। নিশ্চয় আপনিই অদৃশ্য বিষয়ে জ্ঞাত। (Al-Maaida: 116) ْﺫِﺇَﻭ َﻝﺎَﻗ ُﻪَّﻠﻟﺍ ﺎَﻳ ﻰَﺴﻴِﻋ َﻢَﻳْﺮَﻣ َﻦْﺑﺍ َﺖﻧَﺃَﺃ َﺖْﻠُﻗ ِﺱﺎَّﻨﻠِﻟ ﻲِﻧﻭُﺬِﺨَّﺗﺍ َﻲِّﻣُﺃَﻭ ﻦِﻣ ِﻦْﻴَﻬَٰﻟِﺇ ِﻥﻭُﺩ ِۖﻪَّﻠﻟﺍ َﻝﺎَﻗ َﻚَﻧﺎَﺤْﺒُﺳ ﺎَﻣ ﻲِﻟ ُﻥﻮُﻜَﻳ ْﻥَﺃ َﻝﻮُﻗَﺃ ﺎَﻣ َﺲْﻴَﻟ ﻲِﻟ ٍّۚﻖَﺤِﺑ ﻥِﺇ ُﺖﻨُﻛ ُﻪُﺘْﻠُﻗ ْﺪَﻘَﻓ ُﻢَﻠْﻌَﺗ ُۚﻪَﺘْﻤِﻠَﻋ ﺎَﻣ ﻲِﻓ ﺎَﻟَﻭ ﻲِﺴْﻔَﻧ ُﻢَﻠْﻋَﺃ ﺎَﻣ ﻲِﻓ َۚﻚِﺴْﻔَﻧ َﻚَّﻧِﺇ َﺖﻧَﺃ ُﻡﺎَّﻠَﻋ ِﺏﻮُﻴُﻐْﻟﺍ → ( 18 ) আর আল্লাহর কাছেই আছে আসমান ও যমীনের গোপন তথ্য; আর সকল কাজের প্রত্যাবর্তন তাঁরই দিকে; অতএব, তাঁরই বন্দেগী কর এবং তাঁর উপর ভরসা রাখ, আর তোমাদের কার্যকলাপ সম্বন্ধে তোমার পালনকর্তা কিন্তু বে-খবর নন। (Sura Hud:123) ِﻪَّﻠِﻟَﻭ ُﺐْﻴَﻏ ِﺕﺍَﻭﺎَﻤَّﺴﻟﺍ ِﻪْﻴَﻟِﺇَﻭ ِﺽْﺭَﺄْﻟﺍَﻭ ُﻊَﺟْﺮُﻳ ُﺮْﻣَﺄْﻟﺍ ُﻪُّﻠُﻛ ُﻩْﺪُﺒْﻋﺎَﻓ ْﻞَّﻛَﻮَﺗَﻭ ۚ ِﻪْﻴَﻠَﻋ ﺎَﻣَﻭ َﻚُّﺑَﺭ ٍﻞِﻓﺎَﻐِﺑ ﻥﻮُﻠَﻤْﻌَﺗ ﺎَّﻤَﻋ
★মতভেদকারীদের ব্যাপারে পবিত্র ক্বোরআন যা বলেঃ
_________________________________________
উপরের আয়াতগুলো দ্বারা আল্লাহ তায়ালা গায়েব সম্পর্কে স্পষ্ট করে দিয়েছেন যাতে তার বান্দাদের কোন সন্দেহ না থাকে। কিন্তু কোরআনের স্পষ্ট নির্দেশনা পেয়েও যারা তা অবিশ্বাস করে, এর বিপক্ষে অন্য প্রমান খোঁজ করে এবং মানুষের মাঝে বিভেধ সৃষ্টি করার চেষ্টা করে তাদের জন্য কোরআন কি বলে সেটা একটু দেখি। →( 1 ) আরও দিয়েছিলাম তাদেরকে ধর্মের সুস্পষ্ট প্রমাণাদি। অতঃপর তারা জ্ঞান লাভ করার পর শুধু পারস্পরিক জেদের বশবর্তী হয়ে মতভেদ সৃষ্টি করেছে। তারা যে বিষয়ে মতভেদ করত, আপনার পালনকর্তা কেয়ামতের দিন তার ফয়সালা করে দেবেন। ( Al-Jaathiya: 17 )
উপরের আয়াতগুলো দ্বারা আল্লাহ তায়ালা গায়েব সম্পর্কে স্পষ্ট করে দিয়েছেন যাতে তার বান্দাদের কোন সন্দেহ না থাকে। কিন্তু কোরআনের স্পষ্ট নির্দেশনা পেয়েও যারা তা অবিশ্বাস করে, এর বিপক্ষে অন্য প্রমান খোঁজ করে এবং মানুষের মাঝে বিভেধ সৃষ্টি করার চেষ্টা করে তাদের জন্য কোরআন কি বলে সেটা একটু দেখি। →( 1 ) আরও দিয়েছিলাম তাদেরকে ধর্মের সুস্পষ্ট প্রমাণাদি। অতঃপর তারা জ্ঞান লাভ করার পর শুধু পারস্পরিক জেদের বশবর্তী হয়ে মতভেদ সৃষ্টি করেছে। তারা যে বিষয়ে মতভেদ করত, আপনার পালনকর্তা কেয়ামতের দিন তার ফয়সালা করে দেবেন। ( Al-Jaathiya: 17 )
ﻢُﻫﺎَﻨْﻴَﺗﺁَﻭ َﻦِّﻣ ٍﺕﺎَﻨِّﻴَﺑ ۖ ِﺮْﻣَﺄْﻟﺍ ﺍﻮُﻔَﻠَﺘْﺧﺍ ﺎَﻤَﻓ ﺎَّﻟِﺇ ﻦِﻣ ِﺪْﻌَﺑ ﺎَﻣ ُﻢُﻫَﺀﺎَﺟ ُﻢْﻠِﻌْﻟﺍ ﺎًﻴْﻐَﺑ ۚ ْﻢُﻬَﻨْﻴَﺑ َّﻥِﺇ َﻚَّﺑَﺭ ﻲِﻀْﻘَﻳ ْﻢُﻬَﻨْﻴَﺑ َﻡْﻮَﻳ ِﺔَﻣﺎَﻴِﻘْﻟﺍ ﺎَﻤﻴِﻓ ﺍﻮُﻧﺎَﻛ َﻥﻮُﻔِﻠَﺘْﺨَﻳ ِﻪﻴِﻓ ٤٥﴿ ﴾١٧ : →
( 2 অতঃপর তাদের মধ্যে থেকে বিভিন্ন দল মতভেদ সৃষ্টি করল। সুতরাং যালেমদের জন্যে রয়েছে যন্ত্রণাদায়ক দিবসের আযাবের দুর্ভোগ। ( Az-Zukhruf: 65 )
( 2 অতঃপর তাদের মধ্যে থেকে বিভিন্ন দল মতভেদ সৃষ্টি করল। সুতরাং যালেমদের জন্যে রয়েছে যন্ত্রণাদায়ক দিবসের আযাবের দুর্ভোগ। ( Az-Zukhruf: 65 )
َﻒَﻠَﺘْﺧﺎَﻓ ُﺏﺍَﺰْﺣَﺄْﻟﺍ
ﻦِﻣ ۖ ْﻢِﻬِﻨْﻴَﺑ َﻦﻳِﺬَّﻠِّﻟ ٌﻞْﻳَﻮَﻓ ﺍﻮُﻤَﻠَﻇ ِﺏﺍَﺬَﻋ ْﻦِﻣ ٍﻡْﻮَﻳ ٍﻢﻴِﻟَﺃ ٤٣﴿ ﴾٦٥ : → ( 3 ) তোমরা যে বিষয়েই মতভেদ করে তার ফয়সালা আল্লাহর কাছে সোপর্দ। ইনিই আল্লাহ, আমার পালনকর্তা, আমি তাঁরই উপর নির্ভর করি এবং তাঁরই অভিমুখী হই। ( Ash-Shura: 10 )
ﻦِﻣ ۖ ْﻢِﻬِﻨْﻴَﺑ َﻦﻳِﺬَّﻠِّﻟ ٌﻞْﻳَﻮَﻓ ﺍﻮُﻤَﻠَﻇ ِﺏﺍَﺬَﻋ ْﻦِﻣ ٍﻡْﻮَﻳ ٍﻢﻴِﻟَﺃ ٤٣﴿ ﴾٦٥ : → ( 3 ) তোমরা যে বিষয়েই মতভেদ করে তার ফয়সালা আল্লাহর কাছে সোপর্দ। ইনিই আল্লাহ, আমার পালনকর্তা, আমি তাঁরই উপর নির্ভর করি এবং তাঁরই অভিমুখী হই। ( Ash-Shura: 10 )
ْﻢُﺘْﻔَﻠَﺘْﺧﺍ ﺎَﻣَﻭ ِﻪﻴِﻓ ﻦِﻣ ٍﺀْﻲَﺷ ُﻪُﻤْﻜُﺤَﻓ ﻰَﻟِﺇ ُﻢُﻜِﻟَٰﺫ ۚ ِﻪَّﻠﻟﺍ ُﻪَّﻠﻟﺍ ﻲِّﺑَﺭ ِﻪْﻴَﻠَﻋ ِﻪْﻴَﻟِﺇَﻭ ُﺖْﻠَّﻛَﻮَﺗ ُﺐﻴِﻧُﺃ ٤٢﴿ ﴾١٠ : → ( 4 ) আমি মূসাকে কিতাব দিয়েছিলাম, অতঃপর তাতে মতভেদ সৃষ্টি হয়। আপনার পালনকর্তার পক্ষ থেকে পূর্ব সিদ্ধান্ত না থাকলে তাদের মধ্যে ফয়সালা হয়ে যেত। তারা কোরআন সমন্ধে এক অস্বস্তিকর সন্দেহে লিপ্ত। ( Fussilat: 45 )
ﺎَﻨْﻴَﺗﺁ ْﺪَﻘَﻟَﻭ ﻰَﺳﻮُﻣ َﻒِﻠُﺘْﺧﺎَﻓ َﺏﺎَﺘِﻜْﻟﺍ ۗ ِﻪﻴِﻓ ٌﺔَﻤِﻠَﻛ ﺎَﻟْﻮَﻟَﻭ ْﺖَﻘَﺒَﺳ ﻦِﻣ َﻚِّﺑَّﺭ َﻲِﻀُﻘَﻟ ۚ ْﻢُﻬَﻨْﻴَﺑ ْﻢُﻬَّﻧِﺇَﻭ ﻲِﻔَﻟ ٍّﻚَﺷ ُﻪْﻨِّﻣ ٍﺐﻳِﺮُﻣ ٤١﴿ ﴾٤٥ : → ( 5 ) তোমার পালনকর্তা যাদের উপর রহমত করেছেন, তারা ব্যতীত সবাই চিরদিন মতভেদ করতেই থাকবে এবং এজন্যই তাদেরকে সৃষ্টি করেছেন। আর তোমার আল্লাহর কথাই পূর্ণ হল যে, অবশ্যই আমি জাহান্নামকে জ্বিন ও মানুষ দ্বারা একযোগে ভর্তি করব। ( Hud: 119 )
ﺎَّﻟِﺇ ﻦَﻣ َﻚُّﺑَﺭ َﻢِﺣَّﺭ ۚ ۗ ْﻢُﻬَﻘَﻠَﺧ َﻚِﻟَٰﺬِﻟَﻭ ُﺔَﻤِﻠَﻛ ْﺖَّﻤَﺗَﻭ َﻚِّﺑَﺭ َّﻥَﺄَﻠْﻣَﺄَﻟ َﻢَّﻨَﻬَﺟ ِﺔَّﻨِﺠْﻟﺍ َﻦِﻣ ِﺱﺎَّﻨﻟﺍَﻭ َﻦﻴِﻌَﻤْﺟَﺃ : ١١
﴾١١٩ → ( 6 ) আর তাদের মধ্যে কেউ কেউ কোরআনকে বিশ্বাস করবে এবং কেউ কেউ বিশ্বাস করবে না। বস্তুতঃ তোমার পরওয়ারদেগার যথার্থই জানেন দুরাচারদিগকে। ( Yunus: 40 )
﴾١١٩ → ( 6 ) আর তাদের মধ্যে কেউ কেউ কোরআনকে বিশ্বাস করবে এবং কেউ কেউ বিশ্বাস করবে না। বস্তুতঃ তোমার পরওয়ারদেগার যথার্থই জানেন দুরাচারদিগকে। ( Yunus: 40 )
ﻦَّﻣ ﻢُﻬْﻨِﻣَﻭ ُﻦِﻣْﺆُﻳ ﻢُﻬْﻨِﻣَﻭ ِﻪِﺑ ﻦَّﻣ ﺎَّﻟ ُﻦِﻣْﺆُﻳ ۚ ِﻪِﺑ َﻚُّﺑَﺭَﻭ ﻦﻳِﺪِﺴْﻔُﻤْﻟﺎِﺑ ُﻢَﻠْﻋَﺃَ ١٠﴿ ﴾٤٠ : → ( 7 ) যারা অপরাধী, তারা বিশ্বাসীদেরকে উপহাস করত। ( Al-Mutaffifin: 29 ) َﻦﻳِﺬَّﻟﺍ َّﻥِﺇ ﺍﻮُﻣَﺮْﺟَﺃ َﻦِﻣ ﺍﻮُﻧﺎَﻛ ﺍﻮُﻨَﻣﺁ َﻦﻳِﺬَّﻟﺍ َﻥﻮُﻜَﺤْﻀَﻳ ٨٣﴿ ٢٩: → ( 8 ) আপনি যতই চান, অধিকাংশ লোক বিশ্বাসকারী নয়। ( Yusuf: 103 ) ﺎَﻣَﻭ ُﺮَﺜْﻛَﺃ ِﺱﺎَّﻨﻟﺍ ْﻮَﻟَﻭ َﻦﻴِﻨِﻣْﺆُﻤِﺑ َﺖْﺻَﺮَﺣ : ١٢﴿ ١٠٣ ﴾ ★ ওহী আর গায়েবঃ ^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^
কোরআনের বাণীগুলো থেকে এটা স্পষ্ট যে রাসূল (সাঃ) গায়েব জানেন না। রাসূল (সাঃ) নবুয়্যাতের আগে মক্কাবাসীর নিকট খুব প্রিয় এবং বিশ্বস্থ একজন ব্যক্তি হিসেবে সুনাম থাকলেও নবুয়্যাতের পর অধিকাংশ লোক মুহাম্মদ (সাঃ) কে ঘৃণা করতে শুরু করে। অনেকে তাঁকে হত্যা করার চেষ্টাও করেছিল। এ সব কারণে মুহাম্মদ (সাঃ) কে প্রায় সময় বিপদের মোকাবেলা করতে হত। কিন্তু তাঁকে নিয়ে কে কী ষড়যন্ত্র করছে তা তিনি জানবেন কি করে? আল্লাহই ছিলেন তাঁর সাহায্যকারী। কাফেরদের সব ষড়যন্ত্র, পরিকল্পনা আল্লাহপাক হযরত জিব্রাইল (আঃ) এর মাধ্যমে তাঁর প্রিয় রাসূল (সাঃ) কে জানিয়ে দিতেন। যেমন ইসলামের প্রথম দিকের যুদ্ধগুলোতে মুসলিমদের সংখ্যা ছিল কাফেরদের তুলনায় অনেক কম। তাই মুসলিমদের মনে একটা ভয় থেকেই যেত যে তাঁরা এতগুলো কাফেরদের বিরুদ্ধে জিতবে কিনা। এ অবস্থায় আল্লাহপাক জিব্রাইলকে দিয়ে জয়ের সুসংবাদ জানিয়ে দিতেন তাঁর প্রিয় হাবিবকে যাতে মুসলিমদের মনে সাহস আসে। →সূরা আনফালে তার সম্পর্কে আয়াত রয়েছে নিম্নরূপঃ “হে নবী, আপনি মুসলমানগণকে উৎসাহিত করুন জেহাদের জন্য। তোমাদের মধ্যে যদি বিশ জন দৃঢ়পদ ব্যক্তি থাকে, তবে জয়ী হবে দু’শর মোকাবেলায়। আর যদি তোমাদের মধ্যে থাকে একশ লোক, তবে জয়ী হবে হাজার কাফেরের উপর থেকে তার কারণ ওরা জ্ঞানহীন। এখন বোঝা হালকা করে দিয়েছেন আল্লাহ তা’আলা তোমাদের উপর এবং তিনি জেনে নিয়েছেন যে, তোমাদের মধ্য দূর্বলতা রয়েছে। কাজেই তোমাদের মধ্যে যদি দৃঢ়চিত্ত একশ লোক বিদ্যমান থাকে, তবে জয়ী হবে দু’শর উপর। আর যদি তোমরা এক হাজার হও তবে আল্লাহর হুকুম অনুযায়ী জয়ী হবে দু’হাজারের উপর আর আল্লাহ রয়েছেন দৃঢ়চিত্ত লোকদের সাথে। ( Sura Anfaal: 65,66 )
ﺎَﻳ ُّﻲِﺒَّﻨﻟﺍ ﺎَﻬُّﻳَﺃ ِﺽِّﺮَﺣ َﻦﻴِﻨِﻣْﺆُﻤْﻟﺍ ﻰَﻠَﻋ ِۚﻝﺎَﺘِﻘْﻟﺍ ﻥِﺇ ﻦُﻜَﻳ ْﻢُﻜﻨِّﻣ َﻥﻭُﺮْﺸِﻋ َﻥﻭُﺮِﺑﺎَﺻ ﺍﻮُﺒِﻠْﻐَﻳ ِۚﻦْﻴَﺘَﺋﺎِﻣ ﻦُﻜَﻳ ﻥِﺇَﻭ ﻢُﻜﻨِّﻣ ٌﺔَﺋﺎِّﻣ ﺍﻮُﺒِﻠْﻐَﻳ َﻦِّﻣ ﺎًﻔْﻟَﺃ ﺍﻭُﺮَﻔَﻛ َﻦﻳِﺬَّﻟﺍ ْﻢُﻬَّﻧَﺄِﺑ ٌﻡْﻮَﻗ ﺎَّﻟ َﻥﻮُﻬَﻘْﻔَﻳ [ ٨ ٦٥ : ] َﻥﺂْﻟﺍ َﻒَّﻔَﺧ ْﻢُﻜﻨَﻋ ُﻪَّﻠﻟﺍ َﻢِﻠَﻋَﻭ َّﻥَﺃ ۚﺎًﻔْﻌَﺿ ْﻢُﻜﻴِﻓ ﻥِﺈَﻓ ﻦُﻜَﻳ ﻢُﻜﻨِّﻣ ٌﺔَﺋﺎِّﻣ ٌﺓَﺮِﺑﺎَﺻ ﺍﻮُﺒِﻠْﻐَﻳ ِۚﻦْﻴَﺘَﺋﺎِﻣ ﻥِﺇَﻭ ْﻢُﻜﻨِّﻣ ﻦُﻜَﻳ ٌﻒْﻟَﺃ ِﻦْﻴَﻔْﻟَﺃ ﺍﻮُﺒِﻠْﻐَﻳ ِﻥْﺫِﺈِﺑ ُﻪَّﻠﻟﺍَﻭ ِۗﻪَّﻠﻟﺍ َﻊَﻣ َﻦﻳِﺮِﺑﺎَّﺼﻟﺍ [ : ٦٦ ٨ ] এছাড়া সূরা ইউসূফের শেষের দিকে ১০২ নং আয়াতে আল্লাহপাক বলেছেন- “এগুলো অদৃশ্যের খবর, আমি আপনার কাছে প্রেরণ করি। আপনি তাদের কাছে ছিলেন না, যখন তারা স্বীয় কাজ সাব্যস্ত করছিল এবং চক্রান্ত করছিল”। ( Yusuf: 102 )
َﻚِﻟَٰﺫ ْﻦِﻣ ِﺐْﻴَﻐْﻟﺍ ِﺀﺎَﺒﻧَﺃ ِﻪﻴِﺣﻮُﻧ َۖﻚْﻴَﻟِﺇ ﺎَﻣَﻭ َﺖﻨُﻛ ْﻢِﻬْﻳَﺪَﻟ ْﺫِﺇ ﺍﻮُﻌَﻤْﺟَﺃ َﻥﻭُﺮُﻜْﻤَﻳ ْﻢُﻫَﻭ ْﻢُﻫَﺮْﻣَﺃ : ١٢﴿ ١٠٢ ﴾ মক্কার ইহুদীরা রাসূল (সাঃ) কে বিপদে ফেলার জন্য অনেক জটিল জটিল প্রশ্ন করতো। তারা একবার প্রশ্ন করেছিল- “আপনি যদি সত্যিই আল্লাহর নবী হন, তবে বলুন ইয়াকুব পরিবার সিরিয়া থেকে মিসরে কেন স্থানান্তরিত হয়েছিল এবং ইউসুফ (সাঃ) এর ঘটনা কি ছিল?” এসব ঘটনা তাওরাতে বর্ণিত ছিল। আর ইহুদীরা ভাবতো মুহাম্মদ (সাঃ) নিরক্ষর। তাই তাওরাত থেকে এসব জিনীস জেনে নেওয়া তাঁর পক্ষে সম্ভব হবে না। কিন্তু আল্লাহ পাক ওহীর মাধ্যমে ইউসুফ (আঃ) ও তার পরিবার সম্পর্কে এত সুন্দর এবং বিস্তারিত বর্ণনা দিলেন যে, ইহুদীরা আশ্চর্য হয়ে গেল। প্রকৃতপক্ষে রাসূল (সাঃ) এর কাছে হযরত ইউসুফ (আঃ) এর ঘটনা ছিল হাজারো বছরের পুরনো যা একমাত্র ওহী ছাড়া কোন ক্ষমতা বলেই জানা সম্ভব ছিল না। তাই সূরার শেষে আল্লাহ তায়ালা তাঁর হাবিবকে সম্বোধন করে বলতেছেন –“ ِﺀﺎَﺒﻧَﺃ ِﺐْﻴَﻐْﻟﺍ ِﻪﻴِﺣﻮُﻧ َﻚْﻴَﻟِﺇ ” অর্থাৎ এসব কাহিনী গায়েবের অন্তর্ভুক্ত যা আমি আপনাকে দিয়ে থাকি। যখন ইউসুফেকে তাঁর ভাইয়েরা কূপে নিক্ষেপ করার সিদ্ধান্ত বা কলাকৌশল করছিল তখন আপনি সেখানে উপস্থিত ছিলেন না। এছাড়া পবিত্র ক্বোরআন আরো বলছে- এ হলো গায়েবী সংবাদ, যা আমি আপনাকে পাঠিয়ে থাকি। আর আপনি তো তাদের কাছে ছিলেন না, যখন প্রতিযোগিতা করছিল যে, কে প্রতিপালন করবে মারইয়ামকে এবং আপনি তাদের কাছে ছিলেন না, যখন তারা ঝগড়া করছিলো। (Aali Imraan: 44)
َﻚِﻟَٰﺫ ْﻦِﻣ ِﺐْﻴَﻐْﻟﺍ ِﺀﺎَﺒﻧَﺃ ِﻪﻴِﺣﻮُﻧ َۚﻚْﻴَﻟِﺇ ﺎَﻣَﻭ َﺖﻨُﻛ ْﻢِﻬْﻳَﺪَﻟ ْﺫِﺇ َﻥﻮُﻘْﻠُﻳ ْﻢُﻬُّﻳَﺃ ْﻢُﻬَﻣﺎَﻠْﻗَﺃ َﻢَﻳْﺮَﻣ ُﻞُﻔْﻜَﻳ ﺎَﻣَﻭ َﺖﻨُﻛ ْﻢِﻬْﻳَﺪَﻟ ْﺫِﺇ َﻥﻮُﻤِﺼَﺘْﺨَﻳ : ٤٤ ﴿٣ ﴾ এরকম হাজারো ঘটনা আছে যেখানে আল্লাহ তায়ালা ওহীর মাধ্যমে তাঁর প্রিয় হাবিবকে সাহায্য করেছেন। এসব বিষয় দুনিয়ার কেউ জানত না, জানত শুধু মুহাম্মদ (সাঃ) একজন। মূলত প্রিয় রাসূল (সাঃ) যে আল্লাহর নবী তা কফেরদের বিশ্বাস করানোর জন্য এটা ছিলো আল্লাহ তায়ালার কৌশল। এটাকেই অনেকে গায়েব হিসেবে জানে। কিন্তু এটা কি আসলে গায়েব? এটা গায়েব হলে ওহী কোনটা? তাছাড়া এসব বিষয় গায়েব হয়ে থাকলে সেই গায়েবতো রাসূল (সাঃ) এর আগে হযরত জিব্রাইল (আঃ) জানতেন। মূলত এসব বিষয় রাসুল (সাঃ) ওহীর মাধ্যমে জানতেন। আর নবী রাসূলের কাছে আল্লাহ তায়ালা ওহী পাঠাবেন তাতো স্বাভাবিক ব্যাপার। কারণ ওহী ছাড়া নবী হয় না। সুতরাং এ বিষয়ে বিতর্ক না করে বরং কোরআনের আয়াতগুলোর প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করাই হবে মু’মিনদের ঈমানি দায়িত্ব। আল্লাহ্ আমাদের বুঝার তাওফিক দিন। আমীন।


1 comments:
Play Blackjack at a Casino! - Microgaming - Microgaming
A classic card game is a thrilling poormansguidetocasinogambling.com and engaging goyangfc blackjack worrione.com game at Microgaming. This fun game is now available communitykhabar for your device!